যমুনা নদীর তীরে সকাল বেলার এই অপরূপ দৃশ্য ।
By M - MASUD RANA

যমুনা নদীর তীরে সকাল বেলার এই অপরূপ দৃশ্য ।


সারিয়াকান্দির যমুনা নদীর ভয়াবহ ভাঙনরোধে নির্মিত গ্রোয়েন ও হার্ডপয়েন্ট এখন বিনোদন কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে।
নদী ভাঙনরোধের পাশাপাশি এখন এগুলো বিনোদন স্পটে পরিণত হয়েছে। সারা বছর ধরে যমুনা নদীর তীরে প্রচুর মানুষ নির্মল আনন্দ উপভোগ করতে আসেন। বিশেষ করে বিভিন্ন উৎসবে মানুষের উপস্থিতি অনেক বেশি হয়ে থাকে। যমুনা নদীর প্রাকৃতিক দৃশ্য ও মুক্ত বাতাসে ঘুরে বেড়াতে নদী ভাঙনরোধ নির্মিত এসব স্থাপনা ভ্রমণ পিপাসুদের বেড়ানোর মনোরম স্থান হিসেবে এখন বগুড়া জেলাসহ আশপাশের জেলার মানুষের কাছে পরিচিতি লাভ করেছে। ফলে সকাল-বিকেল যমুনার পাড়ে মানুষের পদভারে মুখরিত হয়ে ওঠে। কালিতলা গ্রোয়েন ও দিঘলকান্দি হার্ডপয়েন্টে নদীতে নৌকা ভাড়া করে অনেকে নদীতে ঘুরে বেড়ান। অনেকে যমুনার বিস্তীর্ণ চরে গিয়ে সময় কাটান। সপরিবার ঘোরার জন্য এটি একটি মনোরম স্থান হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে।
যমুনার ভয়াবহ ভাঙনে প্রতি বছর উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকা নদীতে বিলীন হয়ে যাওয়ায় হাজার হাজার মানুষ গৃহহীন হয়ে পড়ত। স্বাধীনতার আগ থেকে ভাঙন অব্যাহত থাকলেও ভাঙনরোধে বিচ্ছিন্নভাবে কিছু কাজ করা হলেও তা নদী ভাঙনরোধে কোনো কাজে আসেনি। ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এলে নদী ভাঙনের কবল থেকে রক্ষা করতে উপজেলা সদরের কালিতলায় গ্রোয়েন এবং দিঘলকান্দি এবং মথুরাপাড়া নামক স্থানে হার্ডপয়েন্ট নির্মাণের উদ্যোগ নেয়া হয়। প্রায় ৩শ কোটি টাকা ব্যয়ে ১৯৯৮ সালে কাজ শুরু হয়ে ২০০১ সালে শেষ করা হয়। ফলে নদী ভাঙনের হাত থেকে সারিয়াকান্দি সদর রক্ষা পায়।
বগুড়া থেকে ২২ কিলোমিটার পূর্ব দিকে সারিয়াকান্দি উপজেলার অবস্থান। চেলোপাড়া হতে বাস অথবা সিএনজি করে এক ঘণ্টায় সারিয়াকান্দি যাওয়া যায়। সারিয়াকান্দি পৌর সদর থেকে এক কিলোমিটার দূরে কালিতলা গ্রোয়েন এবং দুই কিলোমিটার দূরে দিঘলকান্দি হার্ডপয়েন্টের অবস্থান। বাস অথবা সিএনজি স্ট্যান্ড হতে রিকশায় সহজে সেখানে যাওয়া যায়।

Download Wallpaper